করোনা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণীতে নেটদুনিয়া সরগরম

মানুষ যখন বিপদে পড়ে তখন মন্ত্র, তন্ত্র, অলৌককিতা, ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতি বিশ্বস্ত হয়ে পড়ে। পৃথিবীতে ঘটা বহু ঘটনারই যে ব্যাখ্যা বিজ্ঞান দিতে পারে না, সেটা তখন তারা জোর গলায় বলতে শুরু করে।

করোনা ভাইরাস নিয়ে সারা পৃথিবী কমবেশি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাস যে আগে ছিল না এমনটা নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, অন্তত দু’হাজার রকম করোনা ভাইরাস রয়েছে। তবে নতুন এই করোনা ভাইরাস যা নভেল করোনা ভাইরাস বা COVID-19 নামে পরিচিত, তা নিয়ে আতঙ্কের শেষ নেই। কারণ, ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার মানুষ এর বলি হয়েছেন। আক্রান্ত লক্ষাধিক। অর্থাৎ, আক্ষরিক অর্থেই খেই হারা দশা মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই এমন পরিস্থিতিতে একটি বিশেষ বইয়ের ভবিষ্যদ্বাণীর কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্চ মাসের শুরু থেকে আলোচিত হয়ে আসছে।

বইটির নাম ‘এন্ড অব ডেজ’। লিখেছেন সিলভিয়া ব্রাউন নামের এক আমেরিকান মহিলা। তিনি তাঁর মতো করে আভাস দিয়েছেন, পৃথিবীর সামনে পর পর কি ধরণের বিপদ আসছে তা নিয়ে। তিনি নিজেকে বরাবর অতিপ্রাকৃতিক চেতনার অধিকারিনী বলে দাবি করে এসেছেন। ২০১৩ সালে তিনি মারা যান। তার আগে ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর বই। বইটির ৩১২ পাতায় নাকি এ’বছর অর্থাৎ ২০২০ সাল নাগাদ বিশ্বজুড়ে নিউমোনিয়া জাতীয় একটি মারাত্মক রোগ মহামারী রূপে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে বলে দাবি করা হয়েছে। ওই পাতার ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সবার হাতে হাতে।

সেখানে বলা হয়েছে,

‘In around 2020 a severe pneumonia like illness will spread throuhgout the globe, attacking the lungs and the bronchial tubes and resisting all known treatments. Almost more baffling than the illness itself will be the fact that it will suddenly vanish as quickly as it arrived, attack again ten years later, and then disappear completely’.

বইয়ের ওই অংশের সঙ্গে যদি মেলানো যায়, তাহলে দেখা যাচ্ছে ২০১৯ সালের শেষ থেকে নভেল করোনা ভাইরাস ছড়াতে শুরু করেছে। বইতে বলা হয়েছে, প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে কাজ হবে না। এই রোগে ফুসফুস ও ফুসফুসের নালি আক্রান্ত হবে। সেটাই এখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে। নিশ্চিত চিকিৎসা এখনও হাতে আসেনি মানুষের। তবে আশার কথাও লেখা রয়েছে। যত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে তত দ্রুত নাকি রোগটি উধাও হয়ে যাবে। তবে দশ বছর পরে ফের নাকি এর প্রাদুর্ভাব হবে। তবে তারপরে চিরকালের মতো হারিয়ে যাবে। হয়তো ততদিনে এই রোগের টিকা আবিস্কার করে ফেলবেন বিজ্ঞানীরা। সেটাই হয়তো লেখিকা বলতে চেয়েছেন ওই বইতে।

এভাবে ২০০৮ সালে প্রকাশিত একটি বইয়ে ২০২০ সালের আসন্ন মহামারীর বর্ণনা কিভাবে দেওয়া সম্ভব বা কিভাবেই বা বলা সম্ভব রোগটি নিউমোনিয়া জাতীয় হবে, কিভাবেই বা বলা সম্ভব যে প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি কাজে আসবে না এই রোগের চিকিৎসায়, তা নিয়ে আলোচনায় মেতেছে নেট দুনিয়া। তবে তর্ক-বিতর্কের শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠের বক্তব্য একটাই। সব কিছুর ব্যাখ্যাই যে বিজ্ঞানে মিলতে হবে কে বলেছে!  

আরও পড়ুন-

https://durgapur24x7.com/india-evacuated-nationals-from-other-countries-also-to-fight-against-covid-19/
https://durgapur24x7.com/decline-in-pollution-levels-over-china-coronavirus/
https://durgapur24x7.com/sales-of-garlic-rises-due-to-fears-over-covid-19-health-benefits-of-garlic/
https://durgapur24x7.com/correct-way-to-disinfect-your-home-from-corona-virus/
https://durgapur24x7.com/varanasi-biswanath-temple-puts-face-masks-on-idols-corona-virus-covid-19/

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: