দুর্গাপুর ব্যারাজের লকগেট বিকল, জল বেরিয়ে যাচ্ছে হুড় হুড় করে

তিন বছরের ব্যবধানে ফের বিকল হয়ে গেল দুর্গাপুরের ডিভিসি ব্যারাজের একটি লকগেট। এর ফলে হুড় হুড় করে জল বেরিয়ে যাচ্ছে ব্যারাজ থেকে।

ভিডিও দেখুন- https://youtu.be/CpiS8R_6108

৩১ অক্টোবর, শনিবারের সকাল। ঘুম ভাঙতেই দুর্গাপুরের অনেকে দেখলেন, মোবাইলে মেসেজ, “জল রিজার্ভ করে রাখুন। আবার দুর্গাপুর ব্যারাজের একটি গেট ভেঙে গিয়েছে। জল বেরিয়ে যাচ্ছে।” কারণ, ব্যারাজ থেকে জল নিয়েই তা শুদ্ধ করে পানীয় জল হিসাবে সরবরাহ হয় দুর্গাপুরে। শিল্প-কারখানায় উৎপাদনও চলে ব্যারাজ থেকে জল নিয়েই।

১৯৫৫ সালে গড়ে ওঠা এই ব্যারাজে গেটের সংখ্যা ৩৪ টি। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ভোর প্রায় ৫ টা নাগাদ ৩১ নম্বর গেটটি বিকল হয়ে যায়। এর ফলে ব্যারাজ থেকে জল বেরিয়ে যাচ্ছে। আতঙ্ক ছড়াতে দেরি হয়নি। ব্যারাজে ভিড় করতে শুরু করেন বহু মানুষ। শহরের ভিতরে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে তিন বছর আগের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিয়ে।

২৪ নভেম্বর ২০১৭। ব্যারাজের ১ নম্বর লকগেট বেঁকে গিয়ে জল বেরোতে শুরু করে। মেরামতির চেষ্টা সফল হয়নি। ব্যারাজ জলশূন্য হয়ে যায়। চারিদিক শুকিয়ে খটখটে হয়ে যায়। শুধু বালি আর বালি। শহর জুড়ে তীব্র জলসংকট শুরু হয়। চারদিন পরে মেরামতির কাজ শেষ হয়। ফ্লোটিং গেট বসানো হয়। হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন দুর্গাপুরবাসী।

ফের সেই পরিস্থিতিতে আবার পড়তে হবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন শিল্পাঞ্চলবাসী।

অভিযোগ, ঘটনা ঘটার তিন ঘন্টা পরেও দেখা যায়নি সেচ দফতরের কোনও আধিকারিককে। অথচ সকালেই ব্যারাজে পৌঁছে যান মেয়র দিলীপ অগস্তি, দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক সন্তোষ দেবরায়, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পারিয়াল, বরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়-রা। শহর জুড়ে মাইকিং করে জল অপচয় না করার বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তাঁরা।

এদিকে পরিস্থিতি আঁচ করে ডিএসপির তরফে জানানো হয়েছে, লকগেট বিকল হওয়ায় ডিএসপি টাউনশিপে জলের সংকট দেখা দিতে পারে। তাই অযথা জল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: