এবারের বর্ষাতেও কি ফের ডুববে দুর্গাপুর?

দুর্গাপুর শহরের কয়েকটি এলাকা প্রায় প্রতি বছর বর্ষায় জলমগ্ন হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে তো সিটি সেন্টারের মতো জায়গাও ডুবে যায়।

গত দু-তিন বছর ধরে বড় বড় নর্দমায় জেসিবি মেশিন নামিয়ে পলি তোলা-র মতো কাজ হওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে তা একেবারেই বলার মতো নয়।

চলছে নর্দমা সাফাইয়ের কাজ
চলছে নর্দমা সাফাইয়ের কাজ (ফাইল ছবি) Image by malcolm west from Pixabay

দিন কয়েক আগেই ঘন্টাখানেকের বৃষ্টিতে বেনাচিতির বেশ কয়েকটি এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বহু বাড়ির একতলায় জল ঢুকে যায়। অর্থাৎ টানা কয়েকঘন্টার বৃষ্টিতে দুর্গাপুরের বহু জায়গাই যে জলের তলায় চলে যাবে তা আর না বললেও চলে।

তাহলে কি হাত গুটিয়ে বসে আছে পুরসভা?

না সেটা বলা যাবে না। কলকাতা মেট্রোপলিটান ডেভলপমেন্ট অথরিটি বা কেএমডিএ কিভাবে দুর্গাপুরের জল জমার সমস্যা দূর করা যায় তা নিয়ে একটা সমীক্ষা করে। ঠিক হয়েছে, এখনই শহরে তিনটি বড় নর্দমা গড়ে তুলতে হবে। কেএমডিএ সেজন্য টেন্ডারও ডেকেছে। খরচ হবে ২৭ কোটি টাকা।

১) ডিএসপি টাউনশিপ থেকে বয়ে আসা জল নর্দমা উপচে প্লাবিত হয় বেনচিতির ভিড়িঙ্গী, রামকৃষ্ণপল্লি, রাধাকৃষ্ণপল্লি, বিদ্যাসাগর কলোনি, রাঁচি কলোনি প্রভৃতি এলাকা। সেজন্য একটি বড় নর্দমা গড়ে ফরিদপুরের কাছে জাতীয় সড়কের ধার দিয়ে জল নিয়ে গিয়ে তামলা নালায় ফেলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

২) ধান্ডাবাগ থেকে লিঙ্ক রোডের পাশ দিয়ে একটি সংকীর্ণ নর্দমা বয়ে গিয়েছে। সেই নর্দমাটি চওড়া করে পাকা করে গড়ে তোলা হবে। এরপর জল বয়ে গিয়ে পড়বে তামলায়।

৩) গোপালমাঠ থেকে আর একটি বড় নর্দমা গড়া হবে। জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে কাদারোড, ডিএসপি, মেনগেট পেরিয়ে তামলা নালা পর্যন্ত।

পরিকল্পনা চূড়ান্ত। টেন্ডার ডাকার কাজও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পুরসভা জানিয়েছে, তিনটি নর্দমার নির্মাণ কাজ শুরু হবে বর্ষার পরে।

কাজেই এবারের বর্ষাতেও বেশি বৃষ্টি হলে শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েই গেল।

যে কোনও খবরের জন্য যোগাযোগ- ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: