লকডাউনে শ্রুতিনাটকে মজেছেন অণ্ডালের দম্পতি

একজন স্কুল শিক্ষিকা। অন্যজন স্টেট ব্যাঙ্কের কর্মী। কলেজের গন্ডী থেকেই পরিচয়। পরে বৈবাহিক সূত্রে স্বামী-স্ত্রী।

আদতে ভীষণ বন্ধু। দুজনেই ইংরেজি সাহিত্যের পড়ুয়া। সংসার যাপন আর চাকরির যাঁতাকলে পড়ে নিময় মাফিক কাটছিল জীবন। হঠাৎ এল লকডাউন। স্তব্ধ জীবন সকলের মত ওদেরও অসহ্য হয়ে উঠল।

অণ্ডালের দম্পতির ছবি
অণ্ডালের দম্পতি

ব্যাঙ্কের গুরু দায়িত্ব সামলাতে এখনও কর্তাকে নিয়মিত অফিস যেতেই হয়। ডাক পড়লে গিন্নিও স্কুলে যান। তবে আগের মতো ব্যস্ততা না থাকায় অবসর সময়ে চলতে থাকে সাহিত্যচর্চা।

শ্রুতিনাটক শুরু করল দু-জনে। সুলতা চট্টোপাধ্যায় আর স্নেহাংশু চট্টোপাধ্যায়। লকডাউনের এই দীর্ঘ ছয় মাসে সুলতা একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করে ফেলেছে। এই চ্যানেলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর নিজেদের শ্রুতি নাটক পোস্ট করে থাকে। সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়ের নাটক ‘দম্বল’ যেমন পরিবেশন করেছে, তেমনই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘রবিবার’ গল্পের নাট্যরূপ দিয়েছেন তাঁরা। এই শ্রুতিনাটক ইতিমধ্যেই বহুজনের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এছাড়াও ‘পাকা দেখা’, ‘মধুরেণ সমাপয়েৎ’ এর মত শ্রুতিনাটক-ও আছে।

মহালয়ার দিনে মজলিস নামে একটি ফেসবুকে পেজে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে কিছু তথ্য আলেখ্য পাঠের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন সুলতা-স্নেহাংশু। তাদের দুজনের কথায়, লকডাউনে নিয়মিত জীবনের অনেক কিছু হারিয়েছি। তবে পেয়েছিও অনেক কিছু।

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: