দুর্গাপুরের প্রথম মহিলা ই-রিক্সা চালক হিসাবে যাত্রা শুরু লক্ষ্মীর

দুর্গাপুরের প্রথম মহিলা ই-রিক্সা চালক হিসাবে যাত্রা শুরু করলেন দেশবন্ধু নগরের বাসিন্দা লক্ষ্মী দে দত্ত।

বৃহস্পতিবার ১২ নভেম্বর তাঁর হাতে ই-রিক্সার চাবি তুলে দেন দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক অনির্বাণ কোলে। মহকুমাশাসক বলেন, সরকারি প্রকল্পে ব্যাঙ্ক ঋণের মাধ্যমে লক্ষ্মীদেবীকে ই-রিক্সার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন এআরটিও মৃণাল দত্ত।

দেখুন ভিডিও-

লক্ষ্মীদেবী বছর দুয়েক আগে থেকে দুর্গাপুরে টোটো চালানো শুরু করেন। তাঁর আদি বাড়ি পুরুলিয়ার মানবাজারে। ভলিবল, অ্যাথলেটিক্সে পারদর্শী লক্ষ্মীর ইতিহাসে অনার্স পড়ার মাঝেই বিয়ে হয়ে যায় ঝাড়খন্ডের রাঁচির লোহারডগার বাসিন্দা হোটেল মালিক সমীর দে-র সঙ্গে। বিয়ের পর অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা করাতে করাতে হাঁপিয়ে ওঠেন লক্ষ্মী। শেষ পর্যন্ত দুর্গাপুরে চলে আসেন। স্বামী একটি হোটেলে রাঁধুনির কাজ নেন। কিন্তু স্বামীর শারীরিক অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত লক্ষ্মীদেবী একটি পুরনো টোটো কিনে চালাতে শুরু করে দেন ২০১৮ সালে। দুর্গাপুর স্টেশন থেকে মুচিপাড়া মোড় হয়ে বিধাননগরের ব্যাঙ্ক কলোনি পর্যন্ত। টোটো থেকে রোজগারে তাঁর সংসার চলে, ছেলের পড়াশোনা চলে। কিন্তু টোটোর বিরুদ্ধে প্রশাসন অভিযান শুরু করায় বিপাকে পড়েন তিনি। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সেই সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।

লক্ষ্মী বলেন, এখন থেকে আর কোনও সমস্যা হবে না। ই-রিক্সা বৈধ। কাজেই নিশ্চিন্তে চালাতে পারব। টোটোর রুট পেতে সেই সময় লক্ষ্মীকে সাহায্য করেছিলেন মেয়র পারিষদ তথা ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুমা পাড়িয়াল। তিনি বলেন, জীবন সংগ্রামে লক্ষ্মীর সাফল্য অন্যদের কাছে অনুপ্রেরণা জোগাবে।    

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: