নতুন সাজে পুরীর মন্দির, সামনে বিস্তীর্ণ ফাঁকা চত্বর, ফুলের বাগান

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করে রাখুন বিভিন্ন আপডেট পাওয়ার জন্য।

পুরীর মন্দিরের সামনে আর ঘিঞ্জি দোকান নেই। চারপাশ ঝকঝকে, তকতকে। সামনে বিস্তীর্ণ ফাঁকা বাঁধানো চত্বর। ফুলের বাগান। ভাবছেন এমন আবার হয় নাকি!

এটাই সত্যি। আগে যাঁরা পুরী গিয়েছেন তাঁরা যদি এখন জগন্নাথ মন্দিরে যান সত্যি সত্যিই অবাক হয়ে যাবেন। পুরো বদলে গিয়েছে দৃশ্যপট। দেখে মন ভরে যাবে। মন্দিরের সামনের চত্বরেই নিশ্চিন্তে ঘুরতে পারবেন বহুক্ষণ। রোদ-বৃষ্টিতে মাথা বাঁচানোর জন্য গড়ে তোলা হয়েছে সুদৃশ্য শেড। সেই লম্বা শেডের তলা দিয়েই হেঁটে যেতে পারেন মন্দির দর্শনে।

দেখুন মন্দিরের নতুন রূপ

পুরীর মন্দির বলতেই সামনের অংশে দোকানপাট, বাজার, ভিড়ে ভিড়াক্কার। মন্দির দর্শনে গিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে অনেকেরই। অনেকেই তাই দ্বিতীয়বার পুরী গেলেও মন্দিরে আর যেতে চান না। সমুদ্রের ধারেই কাটিয়ে দেন দিন-রাত। অথচ সেই ঘিঞ্জি পরিবেশ আমুল বদলে গিয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কোন ভোজবাজির দৌলতে মন্দিরের সামনের সব দোকান উধাও হয়ে গিয়েছে। নোংরা জায়গা ঝকঝকে হয়ে গিয়েছে। রঙ-বেরঙের ফুলের বাগান। সৌন্দর্য্যায়নের কাজ এখনও চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, পুরীর মন্দিরের সামনের পরিবেশ নিয়ে বহুদিন ধরেই তীর্থযাত্রী ও ভ্রমণার্থীদের অভিযোগ ছিল। ভিড় বাঁচিয়ে সপরিবারে মম্দিরের ভিতরে ঢোকা ছিল রীতিমতো চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। অনেকেই তাই মন্দির দর্শনের উৎসাহ হারিয়ে ফেলতেন। একবার মন্দির দর্শণ হয়ে গেলে কতক্ষণে মন্দির এলাকা থেকে বেরিয়ে যেতে পারা যায় সেই চেষ্টাই করতেন তাঁরা। এর ফলে পুরীর মন্দিরের আকর্ষণ কমে যাচ্ছিল অনেকের কাছে।

দর্শণার্থীদের কাছে মন্দির আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কাজ শুরু হয়। লকডাউনের বহু আগে থেকেই শুরু হয়েছিল কাজ। তবে লকডাউনে মানুষজন না আসায় কাজের গতি বেড়ে যায়। এখন কাজ প্রায় শেষ দিকে। একটি সূত্রে জানা গিয়েছে. ডিসেম্বরের শেষে মন্দির খুলে দেওয়া হবে। কাজেই আর দেরি না করে প্ল্যান করে নিতে পারেন।

 

https://durgapur24x7.com/chalamthang-tour/

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: