চরম আর্থিক সংকটে রাজ্যের ১৪ হাজার প্রাণী-বান্ধব

ইনসেনটিভ নয়, মাসিক ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক ভাতা চাই। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিতে হবে। ৬৫ বছর পর্যন্ত কাজের নিশ্চয়তা দিতে হবে। অবসরকালীন ভাতা চালু করতে হবে।

এমন সাতটি দাবি নিয়ে আন্দোলন করছে রাজ্যের শাসক দল ঘনিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী সম্পদ বিকাশ কর্মী ইউনিয়ন। মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে শাসক দলের নেতা, মন্ত্রী, সাংসদের কাছে বার বার দরবার করেও ফল হয়নি। এমনই অভিযোগ ওই সংগঠনের। অবিলম্বে দাবি পূরণ না হলে শাসক দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে কলকাতায় গিয়ে অনশনে বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি। সাধারণ সম্পাদক মানু গৌতম জানিয়েছেন, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে অক্টোবরের মাঝামাঝি কলকাতায় গিয়ে অনশন শুরু করবেন তাঁরা।

দেখুন ভিডিও

রাজ্যের প্রাণী বন্ধু, প্রাণী সেবী, প্রাণী মিত্রাদের নিয়ে গড়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী সম্পদ বিকাশ কর্মী ইউনিয়ন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী বন্ধু, প্রাণী সেবী, প্রাণী মিত্রা কর্মচারী ফেডারেশন নাম নিয়ে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। বর্ধমানের টাউন হলের প্রথম সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, তৎকালীন সাংসদ মমতাজ সংঘামিতা, সুনীল মন্ডল প্রমুখ। পরে সংগঠনের নাম বদলে হয়, পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী সম্পদ বিকাশ কর্মী ইউনিয়ন।

জেলায় তো বটেই, রাজ্যের ব্লকে ব্লকে সংগঠনের কমিটি রয়েছে। সংগঠনের দাবি, রাজ্যের মোট ১৪ হাজার প্রাণী বন্ধু, প্রাণী সেবী, প্রাণী মিত্রার মধ্যে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন এই সংগঠনের আওতায় রয়েছেন।

মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতা, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড, ৬৫ বছর পর্যন্ত কাজের নিশ্চয়তা, অবসরকালীন ভাতা চালু ছাড়াও সংগঠনের আরও দাবি, সব পঞ্চায়েতে পশুস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি ফের চালু করে সেখানে প্রাণী বন্ধু, প্রাণী সেবী, প্রাণী মিত্রাদের নিয়োগ করতে হবে। অ্যানথ্রাক্স, ব্রুসোলসিস-এর মতো জুনোটিক রোগের সঙ্গে লড়াই করতে হয়, তাই ২০ লক্ষ টাকা জীবনবীমা দিতে হবে। লিকুইড নাইট্রোজেন, গোবীজ ও ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দিতে হবে।

মানু গৌতম বলেন, আমরা রাজ্য সরকারের সঙ্গে থাকার বার্তা দিয়ে রেজুলেশন করেছি। দার্জিলিং বাদে সব জেলায় স্থানীয় মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়কদের কাছে দরবার করেছি, বিভাগীয় মন্ত্রীর কাছে দরবার করেছি, তৃণমূল ভবনে একাধিক বার গিয়েছি। কোনও সুরাহা পাইনি। নবান্নে চার বার গিয়েছি। একবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। কোনও লাভ হয়নি। আশা কর্মী সহ অন্যান্য সব কর্মীদের দিদি (মুখ্যমন্ত্রী) দেখেছেন। শুধু আমরা কিছু পাইনি।

তিনি আরও বলেন, ইনসেনটিভ ও অন্যান্য আয় মিলিয়ে মাসে সাড়ে তিন হাজার টাকার বেশি হয় না। ব্লক অফিস সহ অন্যান্য জায়গায় যাওয়া-আসার ভাড়া দিতে হয় পকেট থেকে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে আমাদের। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্য সরকার আমাদের দাবি মেনে না নিলে আমরা শাসক দলের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করে অক্টোবরের মাঝামাঝি কলকাতায় গিয়ে অনশনে বসব।

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

One thought on “চরম আর্থিক সংকটে রাজ্যের ১৪ হাজার প্রাণী-বান্ধব

  • June 24, 2021 at 3:34 PM
    Permalink

    50 টাকা র যোগ্য নয় এরা, ভূয়ো মাস্টার রোল দিয়ে 5000 টাকা নেই

    Reply

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: