যাবজ্জীবন সাজা শেষে প্রতিমা শিল্পী হিসাবে আত্মপ্রকাশ নডিহার তপন বাউড়ি’র

একবার অপরাধ করলেই জীবন শেষ হয়ে যায় না! মনে যদি ‘অপরাধ’ না থাকে তাহলেই ঘুরে দাঁড়ানো যায়।

দুর্গাপুরের নডিহার তপন বাউড়ি। খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদন্ড ভোগ করে ছাড়া পেয়ে কালী প্রতিমা গড়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন তপনবাবু।

বৌদিকে খুনের মামলায় ২০০৪ সালে কারাদণ্ড হয় তাঁর। সাজা ঘোষণার পরে স্ত্রী চলে যান বাপের বাড়িতে। আর সম্পর্ক রাখেননি। এ’বছর ৭ জানুয়ারি জেল থেকে ছাড়া পান তপনবাবু। বাড়ি ফিরে তিনি এক বিধবাকে বিয়ে করেন। জেলে থাকার সময় এক সহবন্দীর কাছে শেখা শিল্পকর্মকেই পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছেন তিনি।

তপনবাবু জানান, আলিপুর জেলে থাকার সময় ওই সহবন্দীর কাছ থেকে মডেল গড়া, ভাস্কর্য তৈরি প্রভৃতি শেখেন। তাঁর তৈরি মডেল প্রশংসা পায় দিল্লির তিহার জেলের এক অনুষ্ঠানেও। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি ঠিক করে নেন, প্রতিমা তৈরির মাধ্যমে রোজগারের পথ বেছে নেবেন।  

পাঁচটি কালী প্রতিমার বরাত পেয়েছেন। এছাড়াও গ্রামের ষোলোআনা পুজোর ২৬ ফুটের প্রতিমা তৈরির বরাতও পেয়েছেন তিনি। শ্যামপুরের পল্লিমঙ্গল কালী মন্দিরে প্রতিমা রং করার কাজও এবার তিনিই করেছেন। নডিহার টালির চালের বাড়ির দুটি কামরার একটিতে থাকেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী। তপনবাবু বলেন, আমার কাজের প্রশংসা করছেন অনেকেই। নতুন জীবন শুরু করতে পেরে আমি খুব খুশি।

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: