দলত্যাগী কাউন্সিলর চন্দ্রশেখর কি ডাক পাবেন অনুষ্ঠানে? স্বামীজির মূর্তি উদ্বোধন ১২ জানুয়ারি

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করে রাখুন বিভিন্ন আপডেট পাওয়ার জন্য।

দুর্গাপুর দর্পণ, দুর্গাপুরঃ ছেঁড়া পলিথিনে মোড়া, ধুলোয় ঢাকা স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি অযত্নে পড়ে রয়েছে প্রায় এক বছর ধরে। মূর্তিটি উদ্বোধনের কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্বামীজির মূর্তির এই অবস্থা দেখে শহরের অনেকেই ক্ষুব্ধ।

দুর্গাপুরের বাঁকুড়া মোড়ে ক্যানালের উপরে গড়ে ওঠা নতুন ব্রিজের কাছে স্বামী বিবেকানন্দের পূর্ণাবয়ব মূর্তি স্থাপন করা হয় বছর খানেক আগে। কিন্তু তারপর থেকে মূর্তির উদ্বোধন আর করা হয়নি। আবরণ উন্মোচন হয়নি। পলিথিন ছিঁড়ে গিয়েছে। ধুলো জমেছে। আশপাশ নোংরা। সব মিলিয়ে স্বামীজির মূর্তি বসানোর উদ্যোগ নিয়ে স্বামীজির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর চেয়ে অবহেলাই বেশি প্রকাশ পাচ্ছে বলে মত অনেকেরই।

খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের তদানীন্তন ৪ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান ও ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগ নিয়ে এই মূর্তি প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করেন। এসবিএসটিসির প্রয়াত চেয়ারম্যান তমোনাশ ঘোষের কাছে প্রথমে তিনি দরবার করেন। তমোনাশবাবু যোগাযোগ করেন তদানীন্তন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির সঙ্গে। শেষ পর্যন্ত সেতুর সৌন্দর্য্যায়ন ও স্বামীজির মূর্তির জন্য পরিবহন দফতর অর্থ বরাদ্দ করে। শুরু হয় কাজ।

কিন্তু, মূর্তি প্রতিষ্ঠা হলেও মূর্তির উদ্বোধন আর হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, তদানীন্তন পরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর পুরনো দল তৃণমূলের টানাপড়েনে থমকে যায় উদ্বোধন। এসবিএসটিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২ জানুয়ারি স্বামীজির জন্মদিনে মূর্তিটির উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধন করবেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক। থাকবেন এডিডিএ’র চেয়ারম্যান তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুরের মেয়র দিলীপ অগস্তি, দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, পুরসভার কাউন্সিলররা।

আরও পড়ুন-বিজেপির সভা থেকে আইপ্যাককে তোপ চন্দ্রশেখরের

প্রশ্ন, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া স্থানীয় কাউন্সিলর চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কি অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ পাবেন? রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গত কয়েক বছরে এই রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনুযায়ী বিরোধীদের সরকারি অনুষ্ঠানে না ডাকাটাই দস্তুর! সেখানে ভোটের মাত্র কয়েক মাস আগে শাসক দল ত্যাগ করে যাওয়া কাউন্সিলর চন্দ্রশেখরবাবুকে না ডাকার সম্ভাবনাই বেশি।

তিনিই উদ্যোগ নিয়ে মূর্তি প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাক পাবেন না প্রায় ধরেই নিয়েছেন চন্দ্রশেখরবাবু। তিনি বলেন, ‘‘স্থানীয় কাউন্সিলর হিসাবে অনুষ্ঠানে আমার ডাক পাওয়ার কথা। যদি না হয়, তাহলে মূর্তি উদ্বোধনের পরে গিয়ে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে আসবো। আমার উদ্যোগেই ওখানে গালওয়ানের স্মৃতিতে শহীদ স্মারক, একশো ফুট উঁচু জাতীয় পতাকা বসানো হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় এত উঁচু পতাকা কোথাও নেই। অনেকেই তা দেখতে আসেন।’’

aamarvlog

শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রান্না সহ আরও নানা কিছু। আমার ব্লগ- হাবি জাবি নয়। যোগাযোগ- ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ- 9434312482 ই-মেইল- [email protected]

Feedback is highly appreciated...

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: